TechTricks

পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কি কি আপনার সাথে থাকা প্রয়োজন?

আসসালামু আলাইকুম। সকল ট্রিক বিডি ইউজারদের শুভকামনা জানিয়ে শুরু করছি আজকের আলোচনার বিষয় পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন কেন করা হয়?

আপনি পাসপোর্টে আবেদন করার পর মূলত আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন করার কারণ হচ্ছে আপনার নামে কোন অভিযোগ আছে কিনা তা যাচাই এবং আপনি এই দেশের নাগরিক কিনা তা যাচাই করার জন্য করা হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমেই আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন তাও যাচাই করে নেয়া হয়।

পুলিশ ভেরিফিকেশন কোথায় করা হয়?

কয়েক বছর আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন আপনার বাসায় এসে করা হতো। এখন বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার নিজস্ব থানায় যেতে হবে।☝️

একটি থানার সকল পুলিশ ভেরিফিকেশন কী একজন পুলিশি করে থাকে?

একটি থানার সকল পুলিশ ভেরিফিকেশন একজন পুলিশ করে না। বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন জনের পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্ব পড়ে থাকে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য দরকারি ডকুমেন্ট কি কি?

১. আপনি যদি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কাছে থাকা জেএসসি এসএসসি এবং এইচএসসির সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে হবে।☝️

২. চেয়ারম্যানের থেকে চারিত্রিক সনদ নিতে হবে।☝️

৩. একটি কারেন্ট বিল এর কাগজ নিতে হবে।☝️

৪. আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি নিতে হবে। আর যদি আপনি পাসপোর্ট এর জন্য জন্ম নিবন্ধন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে জন্ম নিবন্ধনের একটি ফটোকপি নিতে হবে।(আপনার ভোটার আইডি কার্ডটিও সঙ্গে নিতে হবে)☝️

৫. আপনার বাবা মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে নিতে হবে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য কি কোন ভোগান্তির শিকার হতে হয়?

কোন ভোগান্তির শিকার হওয়ার মূলত নির্ভর করে আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন এর দায়িত্ব যে পুলিশের উপর পড়েছে তার ব্যক্তিত্বের উপর। সেই পুলিশ যদি অসৎ হয় তাহলে আপনাকে ভোগান্তির শিকার হতে হবে আর যদি সেই পুলিশ সৎ হয় তাহলে আপনাকে কোন ভোগান্তির স্বীকার হতে হবে না।

পুলিশ ভেরিফিকেশনে কি টাকা লাগে?

পুলিশ ভেরিফিকেশনে কখনোই টাকার প্রয়োজন হয় না।☝️

তবে কিছু অসাধু পুলিশ সাধারণ জনগণের থেকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে থাকে।

অবশ্যই মনে রাখবেন পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা লাগে না।

পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়ে যাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন?

পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময় পুলিশ নিজেই আপনাকে প্রশ্ন করবে আপনার পাসপোর্টটি কতদিনের মধ্যে দরকার?

আপনার যদি তাড়াতাড়ি পাসপোর্টটি দরকার হয় তাহলে অবশ্যই পুলিশকে বলবেন যে আমার অনেক তাড়াতাড়ি পাসপোর্টটি দরকার। আর এভাবেই আপনি পাসপোর্টটি নির্দিষ্ট দিনের আগেই সংগ্রহ করতে পারবেন।

পুলিশ ভেরিফিকেশনে যেসব কাজ করবেন না:-

ঘুষ নেয়া যেমনটা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ, তেমনি ঘুষ প্রদান করাও একি অপরাধ। (ঘুষ দেওয়া নেওয়া থেকে বিরত থাকুন)

আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন এর দায়িত্ব যে পুলিশের উপর পড়েছে, তাকে কোন নেতার মাধ্যমে ডেকে নিয়ে ধমকানো বা তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

আপনার সবকিছু ঠিক না করে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য যাওয়া ঠিক হবে না। অবশ্যই আপনার সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকতে হবে।

পুলিশের উপর কোন প্রকার চাপ দিয়ে আপনার কাজটি করিয়ে নেয়া যাবে না।

আপনাদের আরো কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে কমেন্ট করতে পারেন। আমি অবশ্যই আপনাদের কমেন্টের উত্তর দিব।

সকলেই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button